থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৮ জন নিহত। ছবি: সংগৃহীত
রবিবার গভীর রাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৮ জন নিহত এবং ২৫ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জনপ্রিয় চাতুচাক এলাকার ওই বারের মঞ্চের কাছে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুনের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পুরো কক্ষ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
মধ্যরাতের পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলকর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তারা অধিকাংশ নিহতের মরদেহ একটি বাথরুমের ভেতর থেকে উদ্ধার করেন; ধারণা করা হচ্ছে, প্রাণ বাঁচাতে তারা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
সোমবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী উপ-প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় সেখানে পারফর্ম করা এক সঙ্গীতশিল্পী তাকে বলেছেন যে, “বিস্ফোরণের শব্দ হয়েছিল এবং ধোঁয়া ও আগুনের হাত থেকে বাঁচতে সবাই পালানোর চেষ্টা করেছিল।”
আনুতিনের ভাষ্যমতে, ওই সঙ্গীতশিল্পী জানিয়েছেন যে অনেকে বার থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি কারণ তারা “ভবনের পেছনের দিকে গিয়ে... টয়লেটে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।”রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এক গাড়িচালক আগুন লাগার বিষয়টি জানালে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
তবে সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ২৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ৭১ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সোমবার সন্ধ্যার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৪ জন মাঝারি ধরনের এবং ৩২ জন সামান্য আহত হয়েছেন।
সুত্র: বিবিসি
