Logo
Logo
×

জাতীয়

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজা

Icon

ঢাকা টুডে প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৪, ১১:৩২ পিএম

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজা

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কেক কাটছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক। পাশে (বাঁয়ে) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, তার পাশে স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা এবং ডানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভুটানের রানী জেটসুন পেমা। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির বাসভবন ও কার্যালয় বঙ্গভবনে। ছবি : পিআইডি

মহান স্বাধীনতার ৫৪তম দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাষ্ট্রপতির বাসভবন ও কার্যালয় বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সফররত ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক ও আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথি।

চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন ভুটানের রাজা। বিকাল ৫টার দিকে স্ত্রী রানী জেটসুন পেমাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গভবনের লনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সংবর্ধনায় প্রায় ২ হাজার ৬০০ জন অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা, রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ও প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ।

এ ছাড়া আমন্ত্রিতদের মধ্যে মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, ভুটানি প্রতিনিধিদলের সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, তিন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নেতা, শিল্পী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরশ্রেষ্ঠ বীরত্ব পুরস্কারপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্য ও বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শীর্ষ পর্যায়ের বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা এবং ভুটানের রানী সবুজ মাঠের পূর্বদিকে ভিভিআইপি এনক্লোজারে রাখা একটি কেক কাটেন। তারা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং একটি ফটোসেশনে অংশ নেন। এ ছাড়া তারা অনুষ্ঠানে আহত মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অতিথির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সংবর্ধনা শেষে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

এর আগে দেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা এম সাইফুল কবির। প্রতিবছর ২৬ মার্চ ইতিহাসের অন্ধকারতম পর্বের সবচেয়ে করুণ স্মৃতিকথা নিয়ে আসে; যা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী অগ্নিপরীক্ষার সূচনা করেছিল এবং রক্তের সমুদ্র পেরিয়ে একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। 

তৎকালীন পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সামরিক দমন-পীড়নের পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চের গভীর রাতে) ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের ঐতিহাসিক বাসভবনে রাত ০০-৩০ মিনিটে তৎকালীন ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) ওয়ারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দিনটি বাঙালি জাতির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মূল্যবান।

সূত্র : বাসস

ঢাকা টুডের একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন