ছবি : সংগৃহীত
১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন আজ সোমবার। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি জানায়, সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত সারাদেশের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ১৪৪টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৬টি মনোনয়নপত্র ইতোমধ্যে জমা পড়েছে।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ নিবন্ধিত ৫৭টি রাজনৈতিক দল অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে নিবন্ধন স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। এদিকে, আদালতের আদেশে রোববার বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টিকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।
দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলীয় প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের অন্তত ১ শতাংশের সমর্থন তালিকা জমা দিতে হবে। সাবেক সংসদ সদস্য হলে সমর্থন তালিকা ছাড়াও মনোনয়ন দেওয়া যাবে। মনোনয়নপত্র জমার সময় ৫০ হাজার টাকা জামানতসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও হলফনামা সংযুক্ত করতে হবে।
মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় সর্বোচ্চ পাঁচজনের বেশি ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারবেন না। একই সঙ্গে মিছিল ও শোডাউন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সব রাজনৈতিক দল অনুরোধ জানালে সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, সোমবার মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। বড় দলগুলো অনুরোধ জানালে এক থেকে দুই দিন সময় বাড়ানোর বিষয়টি কমিশন বিবেচনা করতে পারে। তবে এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেনি।
তিনি আরও বলেন, সময় বাড়ানো হলে ভোটের তারিখ অপরিবর্তিত রেখে মনোনয়ন বাছাই, আপিল, নিষ্পত্তি ও প্রত্যাহারের সময়সূচিতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের সভায় নেওয়া হবে।
